সামিট ফিভার

‘কল্প ভ্রমণ’ বলে একটা শব্দ আছে। কিন্তু ‘কল্প পর্বতারোহণ’ বলে আদৌ কোন শব্দ আছে কিনা আমার জানা নেই। তবুও আমার অবসরের অনেকটা সময় কাটে এই কল্পনার জগতেো। দুঃসাহসিক পর্বতারোহীদের উত্তেজনাপূর্ণ অভিজ্ঞতা আর লোমহর্ষক বর্ণনায় ভরপুর পর্বতারোহণের গল্পগুলো আমার হৃদয়কে বরাবরইবিস্তারিত…

দ্য ন্যাকেড মাউন্টেইন

পর্বতারোহণ একটা নেশা, তীব্র নেশা। যার উৎপত্তি, অনুভূতি, আর উপসংহার-যে পর্বতারোহণ করে সে ছাড়া অন্য কেউ কখনও জানতে পারে না। ১৯৭০ সালে যে রেইনহোল্ড মেসনার নাঙ্গা পর্বতের তৎকালীন সম্পূর্ণ অপরিচিত রুট ডায়ামির ফেস থেকে মৃত্যু সাথে করে নেমেছিলেন; বলেছিলেন, ‘এইবিস্তারিত…

বরফ গলা নদী

অনেকদিন পড়ি পড়ি করেও পড়া হচ্ছিল না। অবশেষে পড়ে ফেললাম কালজয়ী উপন্যাসটি। পড়ে কয়েক হাজার ভোল্টের শক খেলাম। সেই সাথে আফসোসও হচ্ছে এমন একটি বই এতোদিন ফেলে রেখেছিলাম বলে। মাত্র ঘন্টা দুয়েক সময় দিয়ে কেন আরও কিছুদিন আগে পড়লাম না।বিস্তারিত…

কুলাঙ্গারের মা

“- মা কেমন আছেন? – ভালো আছি বাবা। তুমি কোথা থেকে আসছ? – ঢাকা থেকে। কতদিন ধরে আছেন এখানে? – তা প্রায় ২-৩ বছর হবে। – এখানে কে রেখে গেছে? ছেলে নাকি ছেলের বউ? – না বাবা, ও তো চাকরীবিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ১০

যাদুর শহরের সব প্রিয় চিরকুটগুলো সোডিয়াম বাতির হলুদ খামে বন্দী করে রেখে এসেছি সেই কবেই। উদ্দেশ্য জীবন থেকে আরেক জীবনে পালিয়ে যাবো। হেটে হেটে বহুদূরের পথ পাড়ি দিয়ে কল্পলোকের রাজ্যে চলে এসেছি, যেখানে পাহাড়ের সাথে মেঘের আবার মেঘের সাথে সূর্যেরবিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ৯

রিক্ত জীবন এখানে জোসনায় পূর্ন হয়ে যায়। সবুজের সাথে পাহাড়ের, পাহাড়ের সাথে মেঘের খুনসুটি চলতেই থাকে। বহু আলোকবর্ষ দূর থেকে সূর্য্যিদেব তার শেষ বিকেলের লালচে আলোকরশ্মি দিয়ে সে মায়াময়তা যেন বাড়িয়ে দেয় আরও বহুগুণে। ফ্লোরা-ফুনা তাদের রূপের পসরা সাজায়। প্রকৃতিবিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ৮

ঠান্ডা হাওয়া যেন ঢুকতে না পারে সেজন্য রুমের শেষ ছিদ্রটিও বন্ধ করে ঘুমিয়েছিলাম। সেজন্যই হয়তো নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ায় মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে যায়। তখনও বাইরে ঘন কুয়াশার মশারিটা টাঙানো। আকাশে প্রায় পূর্ণ চাঁদ কিন্তু তবুও হোটেলের সামনের রাস্তাটুকুও দেখা যাচ্ছেবিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ৭

অস্তগামী সূর্যের তির্যক আভায় আকাশের সাদা টুকরো টুকরো মেঘগুলো রক্তবর্ণ ধারণ করেছিল তখন। মেহদী দেয়া সাদা দাড়ির মত কিছু খুচরো মেঘ পাহাড়্গুলোর গায়ে গায়ে ঝুলছে। নাকের ডগায় কোন সাড় নাই। দাঁড়িয়ে থাকতেও বেশ কষ্ট হচ্ছে। ইয়োগেন বলল এইতো আর একটু।বিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ৬

মানেভাঞ্জনের সকালটা শুরু হয় বেশ আগেই। সারারাত অস্থিরতায় কাটিয়ে শেষ রাতের দিকে ভালোই ঘুম হয়েছে। তাও সকাল ৬ টার দিকে ঘুম ভেঙে গেছে। সহযাত্রীরা তখনও বেঘোরে ঘুমুচ্ছে। পৃথিবীর শেষ স্তব্ধতা যেখানে অনন্তর শান্তি মেলানো, পাগল হয়ে যেতে হয় যার রূপে,বিস্তারিত…