মারায়ং তং - একটি ব্যর্থতার শিক্ষা

শুনেছিলাম পাহাড় বিনয় শেখায়। পাহাড় থেকে অনেক কিছু শিখলেও বিনয়টাই শেখা বাকি ছিলো। এবারে সেই শিক্ষাটাও পূর্ণ হলো। পাহাড়ের চুঁড়োয় ওঠা বা সামিট করাই সর্বশেষ কথা নয়। পাহাড় থেকে শিখতে হয়। শিখতে হয় শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা। এটাই যেন সারকথা। পাহাড়ে যাওয়ারবিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ১০

যাদুর শহরের সব প্রিয় চিরকুটগুলো সোডিয়াম বাতির হলুদ খামে বন্দী করে রেখে এসেছি সেই কবেই। উদ্দেশ্য জীবন থেকে আরেক জীবনে পালিয়ে যাবো। হেটে হেটে বহুদূরের পথ পাড়ি দিয়ে কল্পলোকের রাজ্যে চলে এসেছি, যেখানে পাহাড়ের সাথে মেঘের আবার মেঘের সাথে সূর্যেরবিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ৯

রিক্ত জীবন এখানে জোসনায় পূর্ন হয়ে যায়। সবুজের সাথে পাহাড়ের, পাহাড়ের সাথে মেঘের খুনসুটি চলতেই থাকে। বহু আলোকবর্ষ দূর থেকে সূর্য্যিদেব তার শেষ বিকেলের লালচে আলোকরশ্মি দিয়ে সে মায়াময়তা যেন বাড়িয়ে দেয় আরও বহুগুণে। ফ্লোরা-ফুনা তাদের রূপের পসরা সাজায়। প্রকৃতিবিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ৮

ঠান্ডা হাওয়া যেন ঢুকতে না পারে সেজন্য রুমের শেষ ছিদ্রটিও বন্ধ করে ঘুমিয়েছিলাম। সেজন্যই হয়তো নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ায় মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে যায়। তখনও বাইরে ঘন কুয়াশার মশারিটা টাঙানো। আকাশে প্রায় পূর্ণ চাঁদ কিন্তু তবুও হোটেলের সামনের রাস্তাটুকুও দেখা যাচ্ছেবিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ৭

অস্তগামী সূর্যের তির্যক আভায় আকাশের সাদা টুকরো টুকরো মেঘগুলো রক্তবর্ণ ধারণ করেছিল তখন। মেহদী দেয়া সাদা দাড়ির মত কিছু খুচরো মেঘ পাহাড়্গুলোর গায়ে গায়ে ঝুলছে। নাকের ডগায় কোন সাড় নাই। দাঁড়িয়ে থাকতেও বেশ কষ্ট হচ্ছে। ইয়োগেন বলল এইতো আর একটু।বিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ৬

মানেভাঞ্জনের সকালটা শুরু হয় বেশ আগেই। সারারাত অস্থিরতায় কাটিয়ে শেষ রাতের দিকে ভালোই ঘুম হয়েছে। তাও সকাল ৬ টার দিকে ঘুম ভেঙে গেছে। সহযাত্রীরা তখনও বেঘোরে ঘুমুচ্ছে। পৃথিবীর শেষ স্তব্ধতা যেখানে অনন্তর শান্তি মেলানো, পাগল হয়ে যেতে হয় যার রূপে,বিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ৫

অদ্ভুত এক শিহরন, কাব্যিক এক অনুভূতি, অজানা এ পথ চলা। আর কত? কত দূরে কল্পনাতে আঁকা প্রেয়সীর মুখ? আর কত অপরিসীম এই প্রতীক্ষার প্রহর গুনতে হবে? আর কত প্রহর কাটালে কানপেতে শুনতে পাবো হিমালয়ের কান্না? শিশিরজলে পা ভিজিয়ে চলতে শুরুবিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ৪

নেশাগ্রস্থ আকাশ, খয়েরী পাহাড়, গোলাপী ইচ্ছে, নীল ভালবাসা, লাল অনুভূতি আর সবুজ জোৎসা। পোড়া মস্তিস্ক, পুড়ে যাওয়া অবছায়া। সবকিছু বেতাল আর অল্প অল্প মাতাল। এমন ঘোর লাগা অনুভুতি নিয়েই শিলিগুড়ির হোটেল রত্নায় ঘুমিয়ে পড়েছিলাম গতকাল রাতে। রাতে ঘুম হয়েছে ভালোই।বিস্তারিত…

জয়িতার খোঁজেঃ সান্দাকফু-ফালুট – ৩

গতকাল দুপুর থেকে চলছি তো চলছিই। এক মুহূর্ত থামার অবকাশ এখন পর্যন্ত মেলেনি। মাঝে পেরিয়ে এসেছি দীর্ঘ পথ। উদ্দেশ্য সেই পাহাড় আর মেঘ ছুয়ে যাবার স্বপ্ন। এক নতুন অভিজ্ঞতার সাক্ষী হতে যাচ্ছি। দাঁড়িয়ে আছি সীমানা ঘেঁষে। শিলিগুড়ি হিলকার্ট রোড থেকেইবিস্তারিত…