দিল্লিকা মেট্রো

দিল্লিকা মেট্রো

হৃষিকেশ থেকে দিল্লিগামী বাস যখন কাশ্মীর গেট নামিয়ে দিলো তখনও পুরো দিল্লিবাসী ঘুমে অচেতন৷ আধো আধো আলো ফুটতে শুরু করেছে মাত্র৷ সারারাত শীততাপ নিয়ন্ত্রিত বাসের মধ্যে একটা স্লিভলেস টিশার্ট পড়ে কনকন করেছি। সেই ঠান্ডার নরম অনুভূতিটা এখনও শরীর আচ্ছন্ন করে রেখেছে। ওয়েদার ফোরকাস্টে দেখেছিলাম দিল্লিতে এখন প্রচন্ড গরম; ‘লু হাওয়া’ বইছে। মরুভূমির বাতাস কোথাও বাঁধাপ্রাপ্ত না হয়ে ঢুকে পড়ছে শহরে, গরমে জনজীবন অতীষ্ট, মানুষ মারা পড়ছে; আরও কত কি! কই আমার তো কিছুই মনে হচ্ছে না। বরং বেশ ঠান্ডা ঠান্ডাই লাগছে৷

এর আগে বেশ কয়েকবার আসা হলেও দিল্লিতে দেখা হয়নি কিছুই। পান্ডবদের রাজধানী ইন্দ্রপ্রস্থের স্থান, মৌর্য বংশের অশোকের স্তম্ভলিপি থেকে শুরু করে মুঘল আমল, এমনকি আধুনিক কালের ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাস বুকে নিয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে রয়েছে সহস্র বছরের বৃদ্ধ, প্রাচীন এই শহর। ইতিহাস বরাবরই আমাকে আকৃষ্ট করে। তার উপরে দিল্লির এমন হাজার বছরের ইতিহাস চোখের সামনে রেখে চলে আসার কোন মানেই হয় না। দেশে ফিরে তেমন কোন কাজও নেই। অলস সময় পার করছি। তাই তখনই মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম সম্ভব হলে কয়েকদিন শুয়ে বসে দিন নিপাত করার।

কিন্তু সঙ্গে থাকা বাকিদের হাতে এত সময় নেই৷ সুদীপ্ত ও অমৃতার ক্লাস শুরু হয়ে গেছে। জনের আমেরিকার ফ্লাইটের টিকেটও কাটা হয়ে গেছে। ওদেরকে কলকাতায় ফিরে যেতে হবে ওইদিনই। বাকি থাকলাম শুধু আমি আর সুপ্ত। সুপ্ত’রও ক্লাস শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু দিল্লির ইতিহাসের দুর্নিবার আকর্ষণ এড়াতে পারছিলো না। শেষে ঠিক করা হলো ওদের তিনজনকে আজকেই রাজধানী এক্সপ্রেসে উঠিয়ে দিয়ে আমরা দুইজনে থেকে যাবো। টিকেট পাওয়া নিয়ে খুব বেশি সমস্যা হওয়ার কথা না। বিদেশী নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত আসনে টিকেট পেয়ে যাবো।

দিল্লির প্রধান রেলস্টেশন দুইটি- নিউদিল্লি রেলস্টেশন ও ওল্ডদিল্লি রেলস্টেশন। বিদেশীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের টিকেট পাওয়া যাবে নিউদিল্লি রেলস্টেশন থেকে৷ নিউ দিল্লি রেলস্টেশনে যখন পৌঁছালাম সূর্যিমামা তখন পূর্ব আকাশে উঠি উঠি করছে। পৌঁছাতেই কোথা থেকে একদল দালাল এসে ঘিরে ধরলো। তাদেরকে পাশ কাটিয়ে স্টেশনের এই প্লাটফর্ম ওই প্লাটফর্ম ঘুরে ঘুরে নিজেকে যখন এক নম্বর প্লাটফর্মে ইন্টারন্যাশনাল টুরিস্ট ব্যুরো অফিসে আবিষ্কার করলাম তখন সকাল সোয়া ছয়টা। অফিস খুলে সকাল ছয়টায়। কিন্তু অফিসে এখনও কেউ নেই শুধুমাত্র একজন জাদরেল মহিলা ছাড়া। তার মত বাজখাঁই গলার মহিলা এর আগে কখনো দেখেছি কিনা মনে করা চেষ্টা করছিলাম। সম্বিৎ ফিরে পেলাম তারই গলার আওয়াজে। হিন্দীতে বললেন টিকেট লাগলে ফর্ম পূরণ করে অটোমেটিক কিউ মেশিন থেকে সিরিয়াল সংগ্রহ করার জন্য।

পুরো রুমের মধ্যে কয়েকজন মানুষ শুধু টিকেটের অপেক্ষায়৷ এক একজন করে যাচ্ছে আর তাকেই ফর্মে ভুল হওয়ার জন্য বকা দিচ্ছে। এ তো মহা মুশকিলে পড়া গেল! সুপ্তও গিয়ে একবার বকা খেয়ে আসার পর ঠিক করলাম টিকেট করতে ‘জন’কে পাঠাবো। ইউএসএ’র পাসপোর্ট দেখলে আর কিছু বলার সাহস পাবে না বোধহয়৷ জনের ইউএসএ পাসপোর্টের জন্যই হোক কিংবা আমার বাচ্চামি চেহারার জন্যই হোক আর কোনরূপ বকাঝকা ছাড়াই টিকেট পেয়ে গেলাম- জন, সুদীপ্ত আর অমৃতার জন্য ঐ দিনকারই রাজধানী এক্সপ্রেসের এবং আমার ও সুপ্তর জন্য পরদিন কালকা মেইলের। টিকেট করে যখন বাইরে বেরিয়ে আসলাম ততক্ষনে সূর্য উঠে গেছে। সকালের সূর্যের মৃদু আঁচেও দরদর করে ঘামতে শুরু করেছি। তখনই বুঝে গিয়েছি কপালে আজ খারাপি আছে।

সুদীপ্তদের ট্রেন দুপুরের দিকে। সময় যত গড়াচ্ছে গরমের তীব্রতা ততই বাড়ছে। দুপুর পর্যন্ত স্টেশনের বসে বসে গরমে অপেক্ষা করা কিংবা ৮০ লিটারের এতো বড় একটা ব্যাকপ্যাক কাঁধে কাঁধে নিয়ে রাস্তায় ঘোরা কোনটাই পারতপক্ষে সম্ভব নয়। শেষে ঠিক করা হলো সবাই মিলে দিল্লির ঐতিহাসিক করিমের কিংবা আল জাওয়াদা’র বিরিয়ানী খেতে যাবো, সেই সাথে লাল কেল্লাও দেখা হয়ে যাবে৷ এরপর ফিরে ওরা ট্রেনে উঠে যাবে আর আমরা হোটেলে।

গুগল ম্যাপ বলছে আল জাওয়াদা বিরিয়ানি চাদনী চক এলাকায় আর নিউ দিল্লী রেলস্টেশন থেকে চাদনী চক যাবার সহজ উপায় মেট্রোরেল। আগে থেকেই শুনে আসছিলাম দিল্লির বিশাল মেট্রোরেলের কথা। নিউদিল্লি রেলস্টেশনের অপর পাশ থেকেই মেট্রোরেলের স্টেশন। সেখান থেকে চাউরি বাজার ছাড়িয়ে পরের স্টেশনটাই চাদনী চক, পাঁচ মিনিটেই পৌঁছে গেলাম। দিল্লি মেট্রো দেখে তো চক্ষু চড়কগাছ। এই মেট্রোই দিল্লির মানুষের প্রোডাক্টিভিটি বাড়িয়ে দিচ্ছে বহুগুণে। কিন্তু হায়! তখনও কি জানতাম আমাদের সারাটা দিনই কাটবে এই মেট্রোর ভুলভুলাইয়ার মাঝেই।

দিল্লির গনগনে সূর্য তখন মাথার উপরে। তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে ৪৬ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডে এসে পৌঁছেছে। কুকুরের মত জিহবাটা মুখের বাইরে ঝুলে পড়ার অবস্থা৷ রমজান মাস থাকার কারণে বিরিয়ানিও জুটলো না কপালে। এরই মধ্যে দুপুর ১২ টা বেজে গেছে। সেই সাথে নিজেদেরও ১২ টা বাজার আগে সবাইকে বিদায় দিয়ে আমি আর সুপ্ত চললাম হোটেলের খোঁজে। এই তীব্র দাবাদাহের মধ্যে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত রুম ছাড়া থাকার প্রশ্নই আসে না। আমাদের হোটেলের রুমটাও যাচ্ছে তাই। এসি দিয়েও রীতিমত গরম বাতাস বের হচ্ছে। গোসল করতে গিয়ে মনে হলো ফুটন্ত পানি কেউ গায়ে ঢেলে দিয়েছে।

চুলোয় গেল দিল্লী ভ্রমন পরিকল্পনা। এই অবস্থায় রাস্তায় বের হলে যেকোন সময় হিটস্ট্রোকে মারা পড়তে পারি। এই প্রথমবার মনে হচ্ছে এরচেয়ে ওদের সাথে রাজধানী এক্সপ্রেসে উঠে পড়লেই পারতাম। থেকে যখন গিয়েছিই সন্ধ্যার দিকে বের হয়ে এদিক ওদিক ঘোরাফেরা করে অক্ষয়ধাম মন্দির ও ইন্ডিয়া গেট ঘুরে আসব ভেবে রুমের মধ্যে ছটফট করতে থাকলাম। দিল্লি মেট্রো তো আছেই। খুব বেশি সময় তো আর লাগবে না।

বের হলাম ছয়টার দিকে। হোটেল থেকে সবচেয়ে কাছের মেট্রো স্টেশন রামকৃষ্ণ আশ্রম মর্গ। এখান থেকে ব্লু লাইন ধরে রাজীব চক, প্রগতি ময়দান পেড়িয়ে ময়ূর বিহার-১ নেমে খানিকটা হেটে গেলেই অক্ষয়ধাম। সবই ঠিক ছিলো। কিন্তু ময়ূর বিহার নেমে মোমো আর আইসক্রীম খেতে খেতে কয়টা যে বেজে গেছে সে হুঁশ আর নেই৷ অক্ষয়ধাম গিয়ে দেখি আর কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। বরং সবাইবের হয়ে আসছে৷ মানে সাড়ে ছয়টার বেশি বেজে গেছে। মন খারাপ করে বসে থাকা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

সেই মনমরা ভাবটাই আমাদের দুইজনকে নিয়ে ফেলল দিল্লি মেট্রোর ভুলভুইয়ার মাঝে। এখনও হাতে সময় আছে। ইন্ডিয়া গেট ঘুরে আসা যাবে অনায়াসেই৷ অক্ষয়ধাম থেকে ব্লু লাইন ধরে রাজীব চক, সেখান থেকে ইয়োলো লাইন দিয়ে সেন্ট্রাল সেক্রেটেরিয়েট গিয়ে খানিক হাটলেই ইন্ডিয়া গেট। কি যে হলো কে জানে! ভুল করে উল্টো দিকের মেট্রোতে উঠে পড়লাম। ২-৩ টা স্টেশন পার হওয়ার পরে খেয়াল হলো- আরে এদিক দিয়ে তো আমরা আসিনি। এদিকে কোথায় যাচ্ছি। দরজার উপরের ইন্ডিকেটর বোর্ডের দিকে তাকিয়ে বুঝলাম উল্টো দিকে যাচ্ছি। নেমে গেলাম সেখানেই। মেজাজ তখন চরমে। বিরক্তির একটা সীমা থাকে। নিজের মাথার চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে করছে। যাবোই না আর মেট্রোতে। বাসে যাবো ইন্ডিয়া গেট।

রাত তখন নয়টা পেড়িয়ে গিয়েছে। আমরা দুজনে দিল্লির রাস্তায় মৃদু সোডিয়াম আলোতে সিগারেট ফুঁকতে ফুঁকতে হাটছি। কোথায় বাস, কোথায় বাসস্ট্যান্ড? কোন কিছুর অস্তিত্ত্ব নেই। মাঝে মাঝে হু হু করে দুই একটা গাড়ি ছুটে যাওয়া ছাড়া সমস্ত চরাচরজুড়ে কেমন এক শূণ্যতা বিদ্যমান। আধাঘন্টা হাটার পর মনে হলো ইন্ডিয়া গেট দেখে আর কাজ নেই; উবার বা ট্যাক্সি কিছু একটা নিয়ে হোটেলে ফিরে যাই। কাল সকালে ৭ টায় আবার ট্রেনও ধরতে হবে। ট্যাক্সি খোঁজার আগেই দেখি সামনেই একটা মেট্রো স্টেশন। অশোক নগর স্টেশন। এখান থেকে ব্লু লাইনে উঠে বসে পড়বো আর রামকৃষ্ণ মিশন হোটেলে গিয়ে ঘুম।

অশোক নগর থেকে মেট্রোতে তো উঠলাম। পরের স্টেশনের নাম দেখি নদীয়া সেক্টর ১৫। কিন্তু আমাদের হিসেব মতে পরের স্টেশনের নাম হওয়া উচিত ছিলো ময়ূর বিহার। রাগে নিজের পশ্চাৎদেশে নিজেরই লাথি মারতে ইচ্ছে করছে। মনে হচ্ছে কোন অশরীরী ভর করছে আমাদের উপর। বারবার একই যায়গায় ঘুরে মরছি। এই ভুলভুইয়া থেকে আর বোধহয় বের হতে পারবো না। নদীয়া নেমেই উল্টো দিকের মেট্রোতো উঠে পড়লাম। এবার আর ভুল হলো না। রামকৃষ্ণ মর্গ এসে নামলাম তখন রাত সাড়ে দশটা।

তখনও কি জানতাম বিধাতা ক্ষান্ত হন নি। এবার মেট্রো না, রাস্তা হারিয়ে ফেলেছি। ঠিক কোন রোড দিয়ে পাহাড়িকায় আমাদের হোটেল থেকে বের হয়েয়েছিলাম কিছুতেই মনে করতে পারছি না। গুগল ম্যাপে যে খুঁজবো হোটেলের নাম বা রাস্তার নাম পর্যন্তও মনে করতে পারছি না দুইজনের একজনও। রাগ, ক্ষোভ সব কিছুকে ছাড়িয়ে এবার ভয় দানা বাঁধতে শুরু করেছে। আরও প্রায় ঘন্টাখানেক এই রোড, ওই রোড ঘুরে হোটেলের রাস্তা যখন খুঁজে পেয়েছি তখন ক্যালেন্ডার তারিখ পাল্টায় পাল্টায় মুহূর্ত।

পরদিন আমাদের ট্রেন সকাল ৭ টায়, পুরোনো দিল্লি স্টেশন থেকে। ভোর সাড়ে পাঁচটায় এলার্মের শব্দে ঘুম ভেঙে সুপ্তকে জাগাতে জাগাতে ৬ টা বেজে গেলো। হোটেলে চেক আউট করে রাস্তায় বের হয়ে মনে হলো এখনও একঘন্টা সময় আছে। শুধু শুধু এতোগুলো টাকা দিয়ে ট্যাক্সিতে যাওয়ার কোন প্রয়োজনই নেই। ব্লু লাইন ধরে রাজীব চক, সেখানে লাইন পরিবর্তন করে ইয়োলো লাইন দিয়ে চাদনী চক। কাল রাতে তো মেট্রো ভাজা ভাজা করে ফেলেছি-ই। এবার আর কোন সমস্যা হবে না।

আবার একই ভুল। একই। উল্টোপাশের মেট্রোতে যে উঠে বসছি খেয়াল হলো তিনটা স্টেশন পার হবার পর। এবার মনে হলো সত্যি সত্যি কেঁদে ফেলবো। এদিকে মেট্রো টিকিটের সমপরিমান মূল্যের থেকে অধিক ভ্রমন করে ফেলার কারণে স্টেশন থেকে বের হয়ে অন্য পাশের মেট্রোও ধরতে পারছি না। টিকেট কাউন্টারও খুঁজে পাচ্ছি না যে নতুন টিকেট করবো। এদিকে সাড়ে ছয়টা বেজে গেছে। ৩০ মিনিটে কি করে পৌঁছাবো তাও জানিনা৷ অনেক খুঁজে খুঁজে কাউন্টার বের করে অন্যপাশের লাইনে উঠে পড়লাম। বারবার ঘড়ি দেখছি। এক একটা মিনিট পার হচ্ছে আর বুকের ভেতর যেন হাপর বাড়ি মারছে। দুইজনের পকেটের যা অবস্থা তাতে করে আরও একটা দিন দিল্লিতে থাকা ও পরের দিনের টিকেট করা কোনভাবেই সম্ভব না।

এবার বোধহয় বিধাতাও একটু সদয় হলেন। আর কোন ঝামেলা ছাড়া চাদনী চক স্টেশনে যখন পৌঁছালাম তখন ঘড়িতে ঠিক ৬ঃ৫০। ১০ মিনিট আছে হাতে। স্টেশনে ঢুকে ট্রেন খুঁজে বের করতে পারব কিনা কে জানে। এই ১০ মিনিটের উত্তেজনা আমি জীবনে কোনদিন ভুলতে পারবো না। সময়ের সাথে দৌড়ে জিতে যাবার প্রত্যয়ে সুপ্তকে রেখেই দৌড়াতে শুরু করেছি। স্টেশনের ওভার পাস থেকে কালকা মেইল দেখতে পাচ্ছি। ঘড়িতে সময় ৬ঃ৫৬। মনে হচ্ছিলো যেন কোন সিনেমায় অভিনয় করছি৷ কাঁধে ২০ কেজির ব্যাকপ্যাক নিয়ে দৌড়ে ট্রেন ধরতে হবে। ট্রেনের কছে পৌঁছে গিয়েছি। এস৬ বগি খুঁজছি। বগি পেয়েও গিয়েছি। সুপ্তর আসতে আরও মিনিট খানেক লাগলো। আর এক মিনিট এদিক ওদিক হলেই কি যে হতো কল্পনা করতেই শরীর কাটা দিয়ে উঠছে৷ একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে শুধু বললাম, “দিল্লিকা মেট্রো, না খেলেও পস্তাতাম, এখন খেয়েও পস্তাচ্ছি।” ট্রেন চলতে শুরু করলো। দরদর করে ঘামছি, হৃদপিণ্ডটা তখনও ধকধক করছে…

ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *